প্রতিষ্ঠিত ২০১৯ — বাংলাদেশ

Viptek সম্পর্কে — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের পরিচয়

Viptek তৈরি হয়েছিল একটি সরল উদ্দেশ্য নিয়ে — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও মজাদার গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। সেই লক্ষ্যটা আজও বদলায়নি।

Viptek এক নজরে
প্রতিষ্ঠা ২০১৯
সদর দফতর ঢাকা, বাংলাদেশ
সক্রিয় সদস্য ৫,০০,০০০+
গেম সংখ্যা ৮০০+
সাপোর্ট ২৪/৭ বাংলায়
পেমেন্ট পদ্ধতি বিকাশ, নগদ, রকেট
৫ বছর+
বিশ্বস্ততার ইতিহাস
৫,০০,০০০+
নিবন্ধিত সদস্য
৯৮.৫%
পেমেন্ট সফলতার হার
৬৪ জেলা
সারা বাংলাদেশে সদস্য
আমাদের মিশন

বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে নিরাপদ ও স্বচ্ছ গেমিং পৌঁছে দেওয়া

Viptek বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং কেবল বিনোদন নয় — এটা একটা অধিকার। সঠিক নিয়ম, সঠিক স্বচ্ছতা আর সঠিক সুরক্ষার মধ্যে এই অভিজ্ঞতা নেওয়ার অধিকার সবার আছে।

ঢাকার কর্পোরেট অফিস থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের কোনো অটোচালক পর্যন্ত — Viptek সবার জন্য একটাই রকম সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে।

পূর্ণ স্বচ্ছতা
সব অডস, শর্ত ও ফি আগে থেকেই স্পষ্ট করা থাকে — কোনো লুকানো চার্জ নেই।
সদস্যদের সুরক্ষা প্রথম
KYC যাচাই, SSL এনক্রিপশন ও দায়িত্বশীল গেমিং টুল দিয়ে সদস্যদের রক্ষা করা হয়।
বাংলাদেশকে বোঝা
বিকাশ, নগদ, বাংলা ভাষা — সব কিছু এদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব
৯৯.৯% আপটাইম, দ্রুত পেমেন্ট প্রক্রিয়া, স্বল্প লেটেন্সির লাইভ স্ট্রিম।

কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ Viptek বেছে নেন

আমাদের ছয়টি মূল শক্তি — যেগুলো আমাদের আলাদা করে রাখে

🔐

লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত

Viptek একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। সব কার্যক্রম আন্তর্জাতিক গেমিং বিধিমালা মেনে পরিচালিত হয়। আপনার টাকা ও ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ — এটা শুধু দাবি নয়, সার্টিফিকেশনে প্রমাণিত।

💳

বাংলাদেশি পেমেন্টে সহজ লেনদেন

বিকাশ, নগদ, রকেট — যেটা আপনার কাছে সুবিধাজনক সেটায় টাকা জমা ও তোলা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাত্র ৩-৫ মিনিটে টাকা ব্যালেন্সে আসে। উইথড্রয়ালও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়।

🗣️

বাংলায় সম্পূর্ণ সাপোর্ট

আমাদের সাপোর্ট টিম বছরের ৩৬৫ দিন, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বাংলায় সহায়তা দেয়। লাইভ চ্যাটে গড়ে ৩ মিনিটের মধ্যে সাড়া দেওয়া হয়। ইমেইলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জবাব পাওয়া যায়।

🎮

৮০০+ বিশ্বমানের গেম

Evolution, Pragmatic Play, NetEnt-এর মতো বিশ্বের শীর্ষ প্রোভাইডারদের গেম Viptek-এ পাওয়া যায়। স্লট থেকে লাইভ বাক্কারাট, Andar Bahar থেকে ক্রিকেট বেটিং — সব এক অ্যাকাউন্টে।

📱

মোবাইলে পূর্ণ গেমিং

আলাদা অ্যাপ ডাউনলোড ছাড়াই মোবাইল ব্রাউজারে সম্পূর্ণ Viptek অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ৩G নেটওয়ার্কেও লাইভ ক্যাসিনো চলে মসৃণভাবে। ব্যাটারি ও ডেটা সাশ্রয়ী ইন্টারফেস।

🏆

VIP পুরস্কার প্রোগ্রাম

প্রতিটি বাজিতে পয়েন্ট জমে — নতুন বা পুরোনো সব সদস্যই সুবিধা পান। Bronze থেকে Diamond পর্যন্ত ৫টি স্তরে ক্যাশব্যাক, ফ্রি বেট ও একচেটিয়া অফার আনলক হয়।

RNG সার্টিফাইড গেম
SSL ২৫৬-বিট এনক্রিপশন
KYC যাচাই ব্যবস্থা
নিরাপদ ফান্ড বিভাজন
দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম

Viptek-এর যাত্রা

শুরু থেকে আজ পর্যন্ত — একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

২০১৯
Viptek-এর জন্ম
মাত্র ৫ জনের একটি টিম নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম দিনেই লক্ষ্য ছিল — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায় একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
২০২০
লাইভ ক্যাসিনো চালু
Evolution Gaming-এর সাথে চুক্তির মাধ্যমে লাইভ বাক্কারাট ও রুলেট চালু হলো। সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গেল।
২০২১
বিকাশ ইন্টিগ্রেশন ও মোবাইল অপটিমাইজেশন
বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট চালু হওয়ায় সদস্যদের সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে গেল। মোবাইল ইন্টারফেস সম্পূর্ণ নতুনভাবে ডিজাইন করা হলো।
২০২২
VIP প্রোগ্রাম ও স্পোর্টসবেটিং সম্প্রসারণ
পাঁচ স্তরের VIP পুরস্কার প্রোগ্রাম চালু হলো। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল, টেনিস ও eSports বেটিং যোগ হলো।
২০২৩
দেশি গেম ও ক্র্যাশ বিভাগ
Andar Bahar, Teen Patti ও Aviator চালু হওয়ায় নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা যোগ দিলেন। সদস্য সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল।
২০২৬–২০২৬
৫ লক্ষ সদস্যের মাইলফলক
৮০০+ গেম, ৩০+ প্রোভাইডার, ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্য নিয়ে Viptek বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করল।

আমাদের মূল্যবোধ

যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে

🤝
বিশ্বস্ততা — সবার আগে

Viptek-এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া মানে তা পালন করা। প্রতিটি বোনাসের শর্ত, প্রতিটি পেআউটের সময়সীমা — সব কিছু আগে থেকেই বলা থাকে এবং সেটা মানা হয়।

⚖️
ন্যায্যতা — সব সদস্যের জন্য সমান

নতুন সদস্য হোন বা Diamond VIP — Viptek-এর নিয়ম সবার জন্য এক। কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া বা কারো প্রতি বৈষম্য করা হয় না।

🌱
দায়িত্বশীলতা — গেমিং যেন ক্ষতির কারণ না হয়

Viptek-এ Self-Exclusion, দৈনিক সীমা ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুল রয়েছে। আমরা চাই সদস্যরা আনন্দের জন্য খেলুন — নেশার জন্য নয়।

🚀
উদ্ভাবন — প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো

প্রতি মাসে নতুন ফিচার আসে। AI-চালিত গেম সুপারিশ থেকে রিয়েল-টাইম অডস আপডেট — প্রযুক্তি সদস্যদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতেই ব্যবহৃত হয়।

🇧🇩
স্থানীয়তা — বাংলাদেশকে বোঝা

আমাদের টিমের বেশিরভাগ সদস্য বাংলাদেশি। এটা শুধু ব্যবসার জায়গা নয় — এটা আমাদের নিজেদের দেশ। তাই আমরা সত্যিকারের পার্থক্য করতে চাই।

যাঁরা Viptek চালান

আমাদের নেতৃত্ব দলের পরিচয়

👨‍💼
রাহুল চৌধুরী
প্রতিষ্ঠাতা ও CEO

১৫ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট সেক্টরের পথিকৃৎদের একজন।

👩‍💻
তাসনিম আক্তার
CTO — প্রযুক্তি প্রধান

BUET থেকে পাস করা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। Viptek-এর পুরো প্রযুক্তি কাঠামো তাঁর হাতে গড়া।

👨‍⚖️
মাহমুদুল হাসান
CCO — কমপ্লায়েন্স প্রধান

আন্তর্জাতিক গেমিং আইন বিশেষজ্ঞ। Viptek-এর লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর তত্ত্বাবধায়ক।

👩‍🎨
সুমাইয়া ইসলাম
CPO — পণ্য প্রধান

ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ডিজাইনে বিশেষজ্ঞ। Viptek-এর বাংলা-বান্ধব ইন্টারফেসের রূপকার।

Viptek-এ মোট ১৮০+ কর্মী রয়েছেন — প্রযুক্তি, সাপোর্ট, কমপ্লায়েন্স ও অপারেশন বিভাগে। তাঁদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি এবং বাংলায় কথা বলেন। এটাই আমাদের সাপোর্টের মান নিশ্চিত করে।

Viptek-এর গল্প — কীভাবে শুরু হলো এবং কেন টিকে আছি

২০১৯ সালের শুরুর দিকের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন বেটিং একটা ধোঁয়াশার জায়গা — কিছু ওয়েবসাইট আছে, কিন্তু বেশিরভাগই বিদেশি ভাষায়, বিদেশি পেমেন্ট সিস্টেমে। একজন রিকশাচালক বা একজন ছাত্র বিকাশ দিয়ে টাকা রাখতে পারবেন না, সমস্যা হলে বাংলায় কেউ সাহায্য করবে না — এই বাস্তবতাটা Viptek-এর প্রতিষ্ঠাতাদের অস্বস্তিতে ফেলেছিল।

সেই অস্বস্তি থেকেই Viptek-এর জন্ম। ধারণাটা সহজ ছিল — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে, বাংলা ভাষায় একটা নিরাপদ গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। বলা যতটা সহজ, করা ততটা ছিল না।

প্রথম বছরের কঠিন পথ

শুরুতে মাত্র পাঁচজন নিয়ে কাজ শুরু। অফিস বলতে ঢাকার একটি ছোট রুম, কম্পিউটার বলতে যা ছিল তাই দিয়েই। প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা। কেউ অজানা প্ল্যাটফর্মে টাকা রাখতে চান না — এটা স্বাভাবিক। Viptek এই সমস্যার সমাধান করেছিল স্বচ্ছতার মাধ্যমে। প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড, প্রতিটি বোনাসের শর্ত — সব খোলামেলাভাবে লেখা থাকত।

বিকাশের সাথে ইন্টিগ্রেশন হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে গেল। হঠাৎ করে লক্ষ্য করা গেল যে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিই এরকম একটা প্ল্যাটফর্মের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়তে লাগল।

নিরাপত্তা কখনো আপোষ হয়নি

Viptek-এর ইতিহাসে একটা জিনিস কখনো বদলায়নি — নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। শুরু থেকেই SSL এনক্রিপশন ছিল। KYC যাচাই ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল যাতে নাবালকরা অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে এবং প্রতারণা ঠেকানো যায়।

সদস্যদের টাকা আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হয় — কোম্পানির অপারেশনাল ফান্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই নীতি নিশ্চিত করে যে কোম্পানির যাই হোক না কেন, সদস্যের টাকা সুরক্ষিত থাকবে।

দায়িত্বশীল গেমিং — শুধু নিয়মের জন্য নয়

অনেক গেমিং প্ল্যাটফর্ম দায়িত্বশীল গেমিংয়ের কথা বলে কিন্তু সেটা সত্যিকারের প্রয়োগ দেখা যায় না। Viptek-এ এটা আলাদা। যখন আমরা দেখি কোনো সদস্য অস্বাভাবিক প্যাটার্নে খেলছেন, তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। Self-Exclusion টুল দিয়ে একজন সদস্য নিজেই তাঁর অ্যাকাউন্টে ৩০ দিন থেকে স্থায়ীভাবে প্রবেশ বন্ধ করতে পারেন।

আমরা চাই মানুষ আনন্দের জন্য খেলুন। হারার ভয়ে বা টাকা ফিরিয়ে নেওয়ার লালসায় নয়। এই বিশ্বাস থেকেই Viptek-এর দায়িত্বশীল গেমিং নীতি তৈরি।

বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা

Viptek একটি বাংলাদেশি কোম্পানি যেটি বিশ্বের সেরা গেম প্রোভাইডারদের সাথে চুক্তি করতে পেরেছে। এটা শুধু ব্যবসায়িক সাফল্য নয় — এটা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও আন্তর্জাতিক মানের পার্টনার হতে পারে।

Evolution Gaming, Pragmatic Play, NetEnt — এই প্রোভাইডাররা শুধু বড় বাজার বা বড় কোম্পানির সাথে কাজ করে না। তারা কাজ করে যাদের সাথে কমপ্লায়েন্স রেকর্ড ভালো, যারা শর্ত মানে, যারা সদস্যদের যত্ন নেয়। Viptek সেই মানদণ্ড পূরণ করেছে বলেই এই পার্টনারশিপ সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকানো

  • আগামী বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ সদস্যের লক্ষ্যমাত্রা।
  • বাংলাদেশি ক্রীড়া সংস্থার সাথে অফিসিয়াল পার্টনারশিপ।
  • AI-চালিত ব্যক্তিগতকৃত গেম সুপারিশ ব্যবস্থা।
  • আরও দ্রুত পেমেন্ট — ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে উইথড্রয়ালের লক্ষ্য।
  • গ্রামীণ এলাকায় বিস্তার — যেখানে ইন্টারনেট সীমিত সেখানেও Viptek যেন পৌঁছায়।

Viptek এখন যেখানে আছে সেটা ভালো। কিন্তু আমরা জানি এখনো অনেক পথ বাকি। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে মানুষ যখন Viptek-এর নাম শুনলে বিশ্বাস ও নিরাপত্তার কথা ভাববেন — সেটাই হবে আমাদের আসল সাফল্য।

প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন

সদস্যরা আমাদের সম্পর্কে যা জানতে চান

Viptek-এর KYC (Know Your Customer) যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যায়। সাধারণত দুটি জিনিস লাগে — একটি সরকারি পরিচয়পত্র এবং ঠিকানা প্রমাণের কাগজ। পরিচয়পত্র হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছবি দেওয়া যায়। ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিলের স্ক্যান কাজ করে। মোবাইলে ছবি তুলে সরাসরি অ্যাকাউন্ট থেকে আপলোড করতে হয়। সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। ছোট পরিমাণের উইথড্রয়ালে KYC ছাড়াও কাজ চলে, তবে বড় পরিমাণ তোলার আগে এটা বাধ্যতামূলক। যাচাই প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা হলে লাইভ চ্যাটে সাপোর্ট পাওয়া যায়।

ম্যাচ বাতিল বা অনির্ধারিতভাবে বন্ধ হলে Viptek নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। প্রি-ম্যাচ বেটের ক্ষেত্রে — যদি ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের ৫০% বা তার বেশি সম্পন্ন না হয়, তাহলে বেটটি বাতিল ধরা হয় এবং পুরো টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ক্রিকেটে DLS (Duckworth-Lewis-Stern) পদ্ধতিতে ফলাফল নির্ধারিত হলে সেই ফলাফল অনুযায়ী বেট সেটেল হয়। লাইভ বেটের ক্ষেত্রে — যে মুহূর্ত পর্যন্ত খেলা হয়েছে সেই অনুযায়ী নিষ্পত্তি হয়, তবে ফলাফল অনিশ্চিত থাকলে বেট ভয়েড হয়ে টাকা ফেরত আসে। সন্দেহ হলে বেট হিস্ট্রিতে স্ট্যাটাস চেক করুন অথবা সাপোর্টে জিজ্ঞেস করুন।

Viptek পরিবারের অংশ হয়ে যান আজই

৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যে Viptek-কে বিশ্বাস করেছেন। আপনিও এই যাত্রার অংশ হন — নিরাপদ, বিশ্বস্ত ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতার সাথে।

কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি নেই বিকাশ ও নগদে জমা ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট স্বাগত বোনাস পাবেন
English